ই-পাসপোর্ট করার সহজ উপায়

ই-পাসপোর্ট করার সহজ উপায়

বিদেশে ভ্রমণের জন্য আমাদের সকলের প্রথমে একটি করতে হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে।
এখন আর পূর্বের মত পাসপোর্ট বই নিয়ে ঘুরতে হবে না।
জনগণের সুবিধার কথা চিন্তা  করে এখন ই পাসপোর্ট  সরবারাহ করা হনে।
আজকে আমরা জানবো কীভাবে অতি অল্প সময়ে খুব সহজেই ই পাসপোর্ট করা যায় এবং  ই পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া ও ই পাসপোর্ট করতে কত টাকার প্রয়োজন হয়।

ই-পাসপোর্ট করার সহজ উপায়

ই-পাসপোর্ট এর জন্য  আবেদন প্রক্রিয়া

ই পাসপোর্ট করার জন্য সর্বপ্রথম আবেদনকারীকে  অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে।আবেদন করার পূর্বে আবেদনকারীকে ব্যাংকের অনলাইন মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে রেফারেন্স নম্বরটি আবেদন ফরমে ব্যবহার করতে হবে।  কোন আবেদনকারী চাইলে  ক্রেডিট কার্ড  বা ডেবিট কার্ড দিয়েও পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন।
প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ কারা পর সাবমিট করে প্রিন্ট কপি পাসপোর্ট অফিসে স্ব-শরীর গিয়ে জামা দিতে হবে। আবেদন করার সময় ফরমে ছবির সত্যায়িত কপি না লাগলেও পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে।
তবে ই পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ না করে ফর্ম ডাউনলোড করে লিখে  পূরণ করেও জমা দেওয়া যাবে।

ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ

ই পাসপোর্ট করার জন্য বয়স্কদের জাতীয় পরিচয়পত্র
ও  অপ্রাপ্তবয়স্কদের  জন্মনিবন্ধন সনদপত্র জমা   দেওয়া বাধ্যতামূলক।
ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়   ডেমোগ্রাফিক তথ্য জমা দিতে হবে।
হাতের ১০ আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট জমা দিতে হবে।
আবেদনকারীর দুই চোখের কর্নিয়ার ছবি ও ডিজিটাল সই সংগ্রহ করবে পাসপোর্ট অফিস।

পাসপোর্টের সুবিধা

ই-পাসপোর্টের মেয়াদকাল থাকবে ১০ বছর। এতে করে জনগনের  পাসপোর্ট নবায়ন করতে  ঝামেলা পোহানো কমে যাবে।

ই-পাসপোর্টের  বইয়ে একটি ডিজিটাল  ডাটা পেইজ যুক্ত করা থাকবে। উক্ত  ডাটা পেইজে একটি   চিপ বসানো থাকবে। যেই চিপে  সংরক্ষিত থাকবে পাসপোর্টকারীর সকল তথ্য।
ভ্রমণের সময় কর্তৃপক্ষ কম্পিউটারের মাধ্যমে খুব সহজেই কম্পিউটারের মাধ্যমে  পাসপোর্টধারীর সব তথ্য-উপাত্ত জানতে পারবেন।

বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের সময় লাইনে দাঁড়াতে হবে না। ই-গেট ব্যবহার করে খুব সহজে  ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করা যাবে।

ই-পাসপোর্ট করার জন্য কত দিন লাগবে?

সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের  ২১ কর্মদিবসেপাওয়া যাবে।
জরুরি ই-পাসপোর্ট  ৭ কর্মদিবসের মাঝে পাওয়া যাবে।
অতি জরুরি ই-পাসপোর্ট  ৩ কর্মদিবসের মাঝে পাওয়া যাবে।
তবে  পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার জন্য  অতি জরুরি পাসপোর্ট ২ কর্মদিবসে
জরুরি পাসপোর্ট ৩ কর্মদিবসে
সাধারণ পাসপোর্ট ৭ কর্মদিবসের মাঝে পাওয়া যাবে।

ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগবে?

৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট করার জন্য টাকা
সাধারণ পাসপোর্ট ৪০২৫ টাকা
জরুরী পাসপোর্ট ৬৩২৫ টাকা
অতি-জরুরী পাসপোর্ট ৮৬২৫  টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট করার জন্য টাকা
সাধারণ পাসপোর্ট ৫,৭৫০  টাকা
জরুরী পাসপোর্ট ৮,০৫০ টাকা
অতি-জরুরী পাসপোর্ট ১০,৩৫০ টাকা

৫ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট করার জন্য টাকা
সাধারণ পাসপোর্ট ৬৩২৫  টাকা
জরুরী পাসপোর্ট ৮৬২৫ টাকা
অতি-জরুরী পাসপোর্ট ১২০৭৫ টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট করার জন্য
সাধারণ পাসপোর্ট   ৮,০৫০ টাকা
জরুরী পাসপোর্ট ১০,৩৫০ টাকা
অতি-জরুরী পাসপোর্ট ১৩,৮০০ টাকা

ই-পাসপোর্টের আবেদনের জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন

আবেদন করুন

স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য কী কী যোগ্যতা প্রয়োজন

অস্ট্রেলিয়ায় কীভাবে ১০০% স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করবেন

মাস্টার্স / পিএইচডির স্কলারশিপ নিয়ে বিস্তারিত

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *