তেতুল বনে জোছনা-হুমায়ূন আহমেদ pdf - Tetul bone josna pdf - Studenttimesbd

তেতুল বনে জোছনা-হুমায়ূন আহমেদ pdf – Tetul bone josna pdf

বই : তেতুল বনে জোছনা-হুমায়ূন আহমেদ
শিরোনাম :  গ্রামীণ কুসংস্কার এবং দাম্পত্য জীবনের অপ্রকাশিত ভালোবাসা নিয়েই রচিত একটি বাস্তবধর্মী উপন্যাস হলো তেতুল বনে জোছনা।

আনিস একজন ডাক্তার । বিরাটনগর গ্রামে তার পোস্টিং। তার স্ত্রী নবনীর সাথে তার বিয়েটা অদ্ভুতভাবে হয়। নবনী শহরে থাকেন তার বাবার সাথে সেখানে পড়াশোনা করেন। মাঝে মাঝে ডাক্তারকে চিঠি লিখেন। ডাক্তারের সাথে তার সম্পর্কটা ছিল একটু রহস্যময়।  কোন এক কারনে তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন তারা আর এক সাথে থাকবেনা।

বিরাটনগর গ্রামের সবাই ডাক্তারকে খুব পছন্দ করেন। ডাক্তারের একটি সাইকেল আছে। গ্রামে প্রচলিত হয়ে যায় – ডাক্তারের সাইকেলের ঘন্টা শুনলেই নাকি অর্ধেক রোগ সেরে যায়। আস্তে আস্তে তার নাম হয়ে যায় সাইকেল ডাক্তার।

মতি ছিল সেই গ্রামের চোর। চোর হলেও ডাক্তারের বিরাট ভক্ত। পড়াশোনা কম করলেও তার মধ্যে একধরনের ভাবুকতা কাজ করতো। সে লাড্ডু বিক্রি করতো, চুরি করতো, বিভিন্ন কাজ কর্ম করে জীবনযাপন করতো। স্বপ্ন দেখতো বিয়ে করবে সংসার করবে তার ও পরিবার হবে৷ একবার সে ডাক্তারের সাইকেল চুরি করে বিক্রি করে নতুন জামা কাপড় কিনে ফেলে। পরবর্তীতে অবশ্য সে আবার সেই সাইকেল ফেরত দেন ডাক্তারকে।

তেতুল বনে জোছনা-হুমায়ূন আহমেদ pdf
তেতুল বনে জোছনা-হুমায়ূন আহমেদ pdf

তেতুল বনে জোছনা – হুমায়ূন আহমেদ pdf Download

বিরাটনগর গ্রামের চেয়ারম্যান হলেন জহির খাঁ। তার ক্ষমতা অনেক গ্রামের সবাই তাকে মেনে চলেন।  কিন্তু সে তার থেকে উপরের কোন সম্মানী ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না। সেই গ্রামে ইমাম সাহেবকে সবাই খুব পছন্দ করতো। তার পরিবার থাকতো অন্য জায়গায়।  চেয়ারম্যান ভেবে নেন তার থেকে যদি বেশি ইমাম সাহেবের ক্ষমতা বেড়ে যায় তাহলে সে আগের মত তার ক্ষমতা হারাবে। ফলে মিথ্যা বলে তাকে অসম্মান করেন। কানে ধরিয়ে সারা গ্রামে ঘুরানো হয়। এতে ইমামের আত্মাসম্মানে লেগে যায় এবং সে সেই রাতেই মসজিদের পাশে তেতুল গাছে ফাসি দিয়ে দেন।

গ্রামে একটি কুসংস্কার রটে যায় যে ইমাম সাহেবের আত্মা রাতে হেটে বেড়ায়। কারণ ফাসি যারা দেয় তাদের দাফন করা হয়না। একদিন ইমামের মেয়ে এসে তার বাবাকে দাফন করেন ডাক্তার আর মতি তাকে সহায়তা করেন। কারণ ডাক্তার ইমামকে খুব ভালো জানতো।

হঠাৎ নবনী গ্রামে আসে ডাক্তারের সাথে দেখা করতে।  কিছুদিন থেকে চলে যায় আবার। তার ডাক্তার স্বামী তার দায়িত্বকে বেশি প্রাধান্য দিতেন যার কারনে নবনীকে সময় কম দিতেন।  নবনী মতির সাথে গ্রামে ঘুরতেন।মতি তার দেখাশুনা করতেন। নবনীর খুব জ্বর হয়। শহরে চলে আসে কিছুদিন থেকে। চিঠি দেন ডাক্তারকে সেখানে সে খুব অদ্ভুতভাবে সবার এই ভাবনাকে মনের ভয়কে দূর করে দেয় যে আত্মা গ্রামে ভয় দেখায়,সেটা ইমামের আত্মা নয় সে হচ্ছে মতি। যে ইমামের ছদ্মবেশে সবাইকে ভয় দেখায়। 

নবনীর রহস্য সমাধানে ডাক্তার  বিস্মিত  হন। নবনী যখন জ্বর নিয়ে শহরে চলে যান ডাক্তার তখন তার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেন  নবনী তখন বলেন –
                           
উক্তিটি ছোট হলেও এর ব্যাপ্তি কিন্তু বিশাল। 

লেখক এখানে বুঝাতে চেয়েছেন যে ভালোবাসা প্রকাশ না করলে আসলে দাম্পত্য জীবনে কি কি সমস্যা হতে পারে। কিছু কিছু মানুষ তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করেনা কিন্তু আজীবন ভালোবেসেই যায়। নবনী ও সেরকম একজন মেয়ে ছিলেন।

জান্নাতুল ফেরদাউস
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


Ami bijoy dekhechi- M R Aktar Mukul
ami bijoy dekhechi pdf m r mukul review by studenttimesbd.com war of liveration of bangladesh

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *