দ্য পার্ল : জন স্টাইনবেক pdf রিভিউ - Studenttimesbd

দ্য পার্ল : জন স্টাইনবেক pdf রিভিউ

দ্য পার্ল : জন স্টাইনবেক বুক রিভিউ

বই- দ্য পার্ল
লেখক- জন স্টাইনবেক
অনুবাদ- খন্দকার মাজহারুল করিম

শিরোনাম – দ্য পার্ল জন স্টাইনবেকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। কাহিনী খুব সংক্ষিপ্ত। মূল চরিত্র মাত্র তিনজন। কিনো তার স্ত্রী জুয়ানা ও তাদের সন্তান কিয়োটিটো।  একটি মুক্তাকে ঘিরে দ্য পার্ল  উপন্যাসটি আবর্তিত হয়েছে।   

দ্য পার্ল উপন্যাসের শুরুতে দেখা যায় কিয়োটিটো দোলনায় দোল খাচ্ছে এমন সময় একটি বিছা এগিয়ে আসছে। বিছাটাকে দেখে কিয়োটিটো হাসছে আর ধরতে চাইছে। হটাৎ এসে তার শরীরে পরে। সাথে সাথে হুল ফুটে যায়। কিনো এসে বিছাটাকে মেরে ফেলে। ততক্ষনে বাচ্চা কেঁদে উঠে। ডাক্তার ডাকা প্রয়োজন। কিন্তু তারা জানে ডাক্তার আসবেনা। কারন তাদের কাছে কোন অর্থ,মূল্যবান মুক্তা নেই। কিনো ছেলেকে নিয়ে তবুও ডাক্তারের বাড়িতে যায়। ডাক্তার তাদের নিজে গোত্রের লোক নয় বরং সে এমন গোত্রের যারা কিনোদের শোষণ করতো। ডাক্তার তাদের ফিরিয়ে দেন।

বাড়িতে এসেই জুয়ানা ছেলেকে শুয়ে দেন আর প্রার্থনা করেন যেন ভালো একটি মুক্তা পায়। যা দিয়ে তারা তাদের চিকিৎসা করাতে পারবে। এরপর শুরু হয়ে যায় কিনোর সংগ্রাম খুঁজে চলে মুক্তা। কিনোর মাধ্যমে ফুটে ওঠে দরিদ্রমানুষের জীবন চিত্র। 

পরিশেষে, কিনো একটি মহামূল্যবান মুক্তা পায়। ফলে সবার দৃষ্টি পরে তাদের উপর।সমাজে কিনোর অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। ডাক্তার ও এখন বিনা আমন্ত্রনে রুগী দেখতে চলে আসে।
এদিকে কিনো মুক্তাটিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে। মুক্তা বিক্রির টাকায় ছেলেকে শিক্ষিত করবে,সংসারে সচ্ছলতা আসবে। জুয়ানার কাছে তার স্বামী ছিলেন এক অসাধারণ পুরুষ। সমুদ্রের ঢেউয়ের হিংস্রতা থেকে তার সংসার আগলে রাখে।
কিনো তার বউকে দেখে অবাক হয়। জুয়ানা ছিলেন শান্ত, সুশীলা,নম্র,সহিষ্ণু ও সদা আনন্দময়ী। কিয়োটিটোর জন্মের সময় তীব্র যন্ত্রণায় ও শব্দ করেনি।

সমাজে কিনো এখন আলোচিত ব্যক্তি। মুক্তার ন্যায্যমূল্য সে পায়নি সবাই তাকে প্রতারিত করতে চায়। চোর, ডাকাত এসে হামলা চালায় মুক্তার জন্য। এভাবে একদিন রাতে এক আগুন্তক খুন হয়ে যায়। ফলে তারা শহরে পালিয়ে যায়। কিন্তু শত্রুরা পিছু ছাড়েনি।

দ্য পার্ল : জন স্টাইনবেক pdf 

দ্য পার্ল বইটি ক্রয় করতে ক্লিক করুন

পথিমধ্যে এক গুহায় আশ্রয় নেয় তারা। ট্র্যাকাররা ও অনুসরণ করতে থাকে এক পর্যায়ে ট্র‍্যাকারদের মধ্য থেকে একজনের গুলি এসে পরে গুহার ভিতর । ভেসে আসে এক আত্মচিৎকার।

কিনো ফিরে আসে সেই সমুদ্রের তীরে, কাপড়ের ভিতর থেকে বের করে আনে মুক্তা। ধূসর দেখাচ্ছে মুক্তাটিকে। মনে হচ্ছে তার ভিতর থেকে উঁকি দিচ্ছে শয়তানের মুখ।
মুক্তার দিকে তাকিয়ে সমস্ত শক্তি দিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়।  পাশাপাশি দু’জনে অনেক্ষন তাকিয়ে থাকে সেই জায়গাটিতে। স্নিগ্ধ, সবুজ জলের ভিতর তলিয়ে যায় মুক্তাটি।

জান্নাতুল ফেরদাউস
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

👉হাত বাড়িয়ে দাও pdf – বুক রিভিউ

মূলধারা- ৭১ মঈদুল হাসান pdf- বই রিভিউ

 

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *