ঢাকা সিটি কলেজে ১০৫ জন শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ, অডিট প্রতিবেদনে অনিয়মের তথ্য
Admin User
21 Jul, 2026 01:28 PM
8 বার পড়া হয়েছে
ঢাকা সিটি কলেজে ১০৫ জন শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ বলে অডিট প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সদস্যরা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রায় দুই কোটি টাকা সিটি অ্যালাউন্স নিয়েছেন। অডিট প্রতিবেদনে এসব অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে।
ঢাকা সিটি কলেজের নানা বিষয় নিয়ে অডিট করেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। সংস্থাটির অডিট কর্মকর্তা চন্দন কুমার দেব এবং সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে এ অনিয়মের চিত্র সামনে এসেছে।
এ বিষয়ে ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন মন্ত্রণালয় বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।’
অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২-১৩ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ২২৯ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে নগদে ব্যয় করা হয়েছে, যা আর্থিক বিধির লঙ্ঘন। প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের আয় ব্যাংকে জমা দিয়ে চেকের মাধ্যমে ব্যয় করার বিধান থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।
অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটিতে ১০৫ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৭ জন অধ্যাপক, ৩৭ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৪৬ জন প্রভাষক, কয়েকজন সহকারী অধ্যাপক ও ডেমোনস্ট্রেটর রয়েছেন। তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৯৮২ সালের নিয়োগ বিধি অনুসরণ করা হয়নি।
অনেক ক্ষেত্রে শুধু পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলেও শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্যরা দায়ী।
ঢাকা সিটি কলেজের নানা বিষয় নিয়ে অডিট করেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। সংস্থাটির অডিট কর্মকর্তা চন্দন কুমার দেব এবং সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে এ অনিয়মের চিত্র সামনে এসেছে।
এ বিষয়ে ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন মন্ত্রণালয় বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।’
অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২-১৩ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ২২৯ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে নগদে ব্যয় করা হয়েছে, যা আর্থিক বিধির লঙ্ঘন। প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের আয় ব্যাংকে জমা দিয়ে চেকের মাধ্যমে ব্যয় করার বিধান থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।
অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটিতে ১০৫ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৭ জন অধ্যাপক, ৩৭ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৪৬ জন প্রভাষক, কয়েকজন সহকারী অধ্যাপক ও ডেমোনস্ট্রেটর রয়েছেন। তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৯৮২ সালের নিয়োগ বিধি অনুসরণ করা হয়নি।
অনেক ক্ষেত্রে শুধু পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলেও শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্যরা দায়ী।
শেয়ার করুন ও লিংক কপি করুন: